মামুনুল পরকীয়ায় ধরা খেয়ে মিথ্যা গল্প সাজিয়েছেন : গোলাম রাব্বানী

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর একটি রিসোর্টে গতকাল শনিবার হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনার সময় তাঁকে এক নারীসহ আট'ক করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময় পর কয়েক হাজার হেফাজতকর্মী ‘রয়েল’ নামের ওই রিসোর্টে হাম'লা চালিয়ে মাওলানা মামুনুলকে মুক্ত করে নিয়ে যান। এ সময় হেফাজতকর্মীরা রিসোর্টে ভাঙচুরও করেন।

এ বি'ষয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলাম ডাকসুর সাবেক জিএস ও ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গো'লাম রাব্বানী।

গো'লাম রাব্বানী বলেন, সোনারগাঁও এর রয়েল রিসোর্টের ঘটনা ও ফোনালাপগু'লো দিবালোকের স্প'ষ্ট করে দিয়েছে যে মামুনুল হক সাহেব বিবাহবহির্ভূ'ত অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে ধ’রা খেয়ে দুর্বল স্ক্রিপ্টে বিয়ের মিথ্যা গল্প সাজিয়েছেন, নিজে প'রকী'য়ার সাথীকে ও বৌকে শিখিয়ে দিচ্ছেন, বোনকে দিয়ে বৌকে শেখাচ্ছেন কি কি বলতে হবে! এই ইস্যুতে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার আর কোন সুযোগ নেই, যারা বোঝার ক্রিস্টাল ক্লিয়ার বুঝে গেছেন।’

রাব্বানী বলেন, তবে এটা বলতে ও স্বীকার করতে হবে, মামুনুল হক এন্ড গং এর অন্ধ মুরিদদের বুকের পাটা আছে, তাদের ভন্ড নেতা ও আদর্শের প্রতি কমিটমেন্ট আছে। ধর্মীয় দৃ'ষ্টিকোণ থেকে জেনার মতো গর্হিত অ’পরাধ করার পরও তারা হাম'লা-ভাংচুর করে গায়ের জোরে তাদের হুজুরকে ঠিকই ঘটনাস্থল থেকে বের করে নিয়েছে। তারা নৈতিকভাবে চরম প্রশ্নবিদ্ধ হলেও ফুল কমিটেড।’

সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, আমা'দের আদর্শিক কোন সহযোদ্ধা এমন গর্হিত অন্যায় তো দূরের কথা, কেউ মিথ্যা অ'ভিযোগে বা ষ'ড়যন্ত্রের শি'কার হয়ে যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়তো, তবে আমা'দের নেতারা জানার পরে সাহায্য করা তো দূরে, আর যোগাযোগই রাখতোনা! সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই মিডিয়ায় ফলাও করে বলতো, চিনিনা, জানিনা, দলের কেউ না ব্লা ব্লা ব্লা।

রাব্বানী বলেন, এমন বহু ঘটনা আছে, আমা'দের দলীয় নেতা-কর্মীরা অন্যায় না করে বিনা দোষে শা'স্তি পাচ্ছে আর নিজ দলের লোকজনই সে দুঃসময়ে সহানুভূ'ত ি-সহযোগিতা-সমর'্থনের বদলে টিপ্পনী কাটে, খোঁচা মারে, পারলে আরেকটু বিপদে ঠেলে দিয়ে নিজের আখের গোছায়!
এটাই আমা'দের আদর্শিক শক্তি আর কমিটমেন্টের অবস্থা! আমর'া কি এমন আদর্শ চেয়েছিলাম?