গ্রাহকের ৩৩৮ কোটি টাকার হদিস নেই: ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রে চিঠি

ইভ্যালি বাংলাদেশের একটি ই কমার্স সাইট যারা প্রথম বছরেই ১০০ কোটি টাকার উপর বিনিয়োগ করেছে। এছাড়াও ইভ্যালি বাংলাদেশের হয়েও আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের অনেক জায়গায় এত অল্প সময়েই এতশত স্পনসর করেছে যা অবাক করার মত!

ইভ্যালি ই কমার্সটি আসলে চলে কিছুটা এমাজনের পদ্ধতিতে৷ তারা বিশেষ করে সরাসরি কোম্পানির সাথে ব্যবসা করে৷ ইভ্যালির লাভটা হচ্ছে, তারা সরাসরি উৎপাদনকারীদের সাথে আর ক্রেতার সাথে সরাসরি বন্ধন করে দেয়৷

নতুন খবর হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

৪ জুলাই পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রাহক ও মার্চেন্টের কাছ থেকে নেওয়া ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে টাকা আত্মসাৎ কিংবা অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ডাব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান জানান, ইভ্যালি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে যেসব বিষয় ওঠে এসেছে আমরা সেগুলোই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

ইভ্যালির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রতিযোগিতা কমিশন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরেও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইভ্যালির কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছে ২১৪ কোটি টাকা, আর মার্চেন্টদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য নিয়েছে ১৯০ কোটি টাকার। স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৪ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা। কিন্তু সম্পদ আছে মাত্র ৬৫ কোটি টাকা।