বিয়ের তিন বছর পর মৃ’ত্যু, আদা’লতের নির্দেশে তিন মাস পর গৃহবধূর ম’রদে’হ উ’ত্তো’লন

নি'হতের তিন মাস পর পুনঃতদ'ন্তের জন্য গৃহবধূ রচনা রানী রুপার মর'দেহ কবর থেকে উ’ত্তো’লন করা হয়েছে।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) আ'দালতের নির্দেশে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজে’লার পদুমশহর ইউনিয়নের ডিম'লা পদুমশহর গ্রামের কবর থেকে মর'দেহটি উ’ত্তো’লন করা হয়।

বগুড়ার শিবগঞ্জ থা'নার ভারপ্রা'প্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম বদরুজ্জামান বলেন, ‘গত বছরের ৬ নভেম্বর শিবগঞ্জ থা'নায় দায়ের করা একটি হ'ত্যা মাম'লায় আ'দালত রচনা রানী রুপার মর'দেহ উ’ত্তো’লন করে পূণরায় ময়নাতদ’ন্তের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গৃহবধূ রুপার মর'দেহ কবর থেকে উ’ত্তো’লন করে বগুড়ায় আনা হচ্ছে।’

মাম'লার এজাহারে বলা হয়, সাঘাটা উপজে’লার পদুমশহর ইউনিয়নের ডিম'লা পদুমশহর গ্রামের রতন চন্দ্র মহন্তের মেয়ে রচনা রানী রুপার সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজে’লার মোকামতলা এলাকার সংকরপুরে গ্রামের আনন্দ চন্দ্রের ছেলে অনিক চন্দ্রের। ২০১৮ সালের ৫ ফ্রেব্রুয়ারি বিয়ের পর থেকে সাড়ে ছয় লাখ যৌ'তুক দেন রতন চন্দ্র। কিন্তু বিয়ের একমাস পর অনিক চন্দ্র স্ত্রী রুপাকে বাবার বাড়ি থেকে পনের লাখ টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন।

পরবর্তীতে রুপা টাকা আনতে অ'স্বীকৃতি জানালে তার উপর নেমে আসে অমান'বিক নি'র্যা'তন। এর ধা'রাবাহিকতায় ২০২০ সালের ৫ নভেম্বর শ্বশুর বাড়ি থেকে রুপার মর'দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন ৬ নভেম্বর রুপাকে শ্বা’সরো’ধে হ'ত্যার অভিযোগ এনে তার বাবা হ'ত্যা মাম'লা করেন।

নি'হত রুপার বাবা রতন চন্দ্র মহন্ত অভিযোগ করে বলেন, ‘রুপাকে শ্বা'সরোধে হ'ত্যার পর মর'দেহ আমাকে দেয়া হয়। আমি এই হ'ত্যার বিচার চাই। আর যেন কারো বাবার বুক খালি না হয়।’

সাঘাটা থা'নার ভারপ্রা'প্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল হোসেন মর'দেহ উ’ত্তো’লনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাস্থল ও মাম'লাটি শিবগঞ্জ থা'নার। এটি সম্পূর্ণ ওই থা'না পুলিশের দায়িত্ব।’