ইউএনওকে ‘আপা’ বলায় ব্যবসায়ীকে মারধর : সেই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনা লায়লাকে ‘স্যার’ না বলে ‘আপা’ বলায় এক ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনার এবার অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল রফিককে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামিমের নির্দেশে আজ শনিবার তাকে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সহকারী পুলিশ সুপার সিংগাইর সার্কেলের রেজাউল হক গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ইউএনওর নির্দেশেই ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করেছে এটা সত্য। আদালত কাউকে মারধর করার নির্দেশ দিতে পারে না। পাবলিকের গায়ে হাত দেওয়ার কারণেই পুলিশ সুপার তাকে মৌখিকভাবে প্রত্যাহার করেছে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সারে পাঁচটার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের জায়গীর বাজার বাস স্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, মারধরের স্বীকার ব্যবসায়ী জয়মন্টপ এলাকার গৌর চন্দ্র দাসের ছেলে তপন দাস।

পেশায় স্বর্ণকার তপনের জায়গীর বাজারে দোকান রয়েছে। তিনি খরিদ্দারের চাপের মুখে পড়ে ঘটনার দিন দোকান খোলেন। এই অপরাধে ইউএনও তাকেসহ খরিদ্দারদের জরিমানা করেন।

‘এ সময় তিনি স্যার না বলে ক্ষমা চেয়ে আপা বললে ইউএনও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে কেন আপা বললি বলেই পুলিশ লাঠি দিয়ে তার শরীরে আঘাত করতে থাকে’ বলে তপন দাস অভিযোগ করেন। যদিও মারধরের কথা অস্বীকার করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা। তিনি বলেন, ‘অনেকেই আমাকে আপা এবং খালাম্মাতো বলেই। এর জন্য মারধর করা হয়নি।’ বিডি-প্রতিদিন