৫৪৪ দিন পর কলেজে, বন্ধুদের কাছে পেয়ে আনন্দে মাতলেন দীঘি

দীর্ঘ ১৭ মাস ২৬ দিন বন্ধের পর আজ রবিবার দেশের সব স্কুল ও কলেজ খুলেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে উৎসবের আমেজ। শিক্ষক ও কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছেন।

৫৪৪ দিন পর চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘিও আজ কলেজে গিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন পর নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মনে হয়েছে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গিয়েছেন। এই অনুভূতির বর্ণনা নেই তার কাছে।

রবিবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে দীঘি বলেন, ‘কলেজে গিয়ে একদম অন্যরকম অনুভূতি হলো। মনে হলো কলেজের আজ প্রথম দিন। সে এক অন্যরকম অনুভূতি।

মনে হলো আমরা সেই আগের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছি। মনে হচ্ছে নিঃশ্বাস নিচ্ছি পরিশুদ্ধ বাতাস থেকে। কলেজ খুলে দেওয়ার ঘোষণার পর থেকেই সহপাঠীরা দীঘির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

দীঘি বলেন, ‘বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হবে, আবার সেই আ’ড্ডা- এসব ভেবে এতোদিন পুলক বোধ করছিলাম। আজ সেই আনন্দের দিনটা অবশেষে এলো এবং অদ্ভু’ত রো’মাঞ্চ নিয়ে ঘুম ভাঙলো। দিনের শুরুটাই চমৎকার হলো।

দীঘি কালের কণ্ঠকে বললেন, ‘যখন ক্লাসে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিলাম। ঠিক করতে পারছিলাম না, কোনটা রেখে কোনটা করবো! এতদিন পর ক্লাসে গিয়ে সব নতুন লেগেছে। তবে ভালো লাগছিল বেশ।

সবাই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন। কলেজে ঢোকার আগে হাত ধুলাম। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করলাম। আর আমরা গ্যাপ রেখে ক্লাসে বসেছি। সব মিলিয়ে ভালো লাগছে এজন্য যে সেফটি মানা হচ্ছে আবার ক্লাসও হচ্ছে।’

মহামারি সম্পর্কে সতর্কতাও উচ্চারণ করলেন দীঘি। বললেন, ‘স্কুল কলেজ খুলেছে এটা আমাদের অত্যন্ত আনন্দের। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। কিন্তু এই আনন্দে আমাদের বোকার মতো ভেসে চললে হবে না। সকলকে সতর্কভাবে চলতে হবে। কেননা এখনো করোনাভাইরাস দেশ থেকে চলে যায়নি। আমাদের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে। স্যার ম্যাডামদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। ঝুঁকি থাকে এমন কোনো কাজ করা যাবে না।’

ধানমন্ডির ৯/এ তে অবস্থিত স্ট্যামফোর্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী প্রার্থনা দীঘি। মাঝে পড়াশোনার জন্য অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও এখন নিয়মিত অভিনয় করছেন। এরইমধ্যে ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’ নামে তার দুটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।