মুরগির খাঁচায় বাড়ি ফিরছে মানুষ

কোভিড-১৯ মহামা'রি বিধ্বং'সী রূপ নিয়েছে গোটাবিশ্বে। তালিকায় বাদ নেই বাংলাদেশও। চলছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। রোজ অ'সংখ্য মানুষ আ'ক্রা'ন্ত হচ্ছেন, মা'রা যাচ্ছেন। আজ থেকে আগামী ২১শে এপ্রিল পর্যন্ত চলাচলে বিধিনিষে'ধ অর্থাৎ কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব অফিস এবং গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তাই মানুষ বিভিন্ন স্থান থেকে নিজ নিজ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। এ সুযোগে পরিবহন শ্রমিকরাও তিন গু'ণ ভাড়া বেশি নিচ্ছেন।

ভাঁড়া বাঁচাতে এবং বাড়ি ফেরার তাগিদে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ট্রাকে, ছোট পিকআপভ্যানে আবার অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুরগি বহন করা খাঁচায় যার যার গন্তব্যে ছুটছেন। গত সোমবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে সরজমিন এমন চিত্রই দেখা গেছে।

এ সময় আফজাল হোসেন নামক এক ব্যক্তি জানান, তিনিসহ ৮-৯ জন ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। করোনার কারণে সাতদিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা দেয়ায় তারা নিজ বাড়ি বগু'ড়ায় যাব'েন। তাই তারা গাড়ির জন্য মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন বাসে অর্ধেক যাত্রী নেয়ার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। আবার ভাড়াও তিন থেকে চার গু'ণ বেশি। তাই তারা একপর্যায় অনেকটা বাধ্য হয়ে সিরাজগঞ্জের একটি মুরগির বাচ্চা বহনকারী পিকআপভ্যানে জনপ্রতি ১২০ টাকা করে ঠিক করে গন্তব্যে রওনা হয়েছেন।

উল্লেখ্য, “মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃ'ষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বং'স করা যায়, কিন্তু হারানো বা থামানো যায় না।” এত চলাচলে বিধিনিষে'ধ থাকা সত্যেও বাড়ি ফেরার তাগিদে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ট্রাকে, ছোট পিকআপভ্যানে আবার অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুরগি বহন করা খাঁচায় যার যার গন্তব্যে ছুটছেন একটু শান্তিতে বাঁ'চার জন্য।