অবশেষে মুখ খুললেন সেই জিমি, বেরিয়ে আসছে অজানা তথ্য

হালের জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি। আলোচনা- সমালোচনা নিয়েই তার ক্যারিয়ার। বরাবরই তিনি আলোচনায় থাকেন। ফের খবরের শিরোনাম হলেন এই অভিনেত্রী। তাকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

নতুন খবর হচ্ছে, ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা করেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। সেই রাতে ঘটনার সময় পরীমনির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি। সেই রাতে কি হয়েছিল তা গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন নায়িকার সঙ্গে থাকা কস্টিউম ডিজাইনার।

পরীমনির দায়ের করা মামলায় সোমবার গ্রেফতার করা হয় মামলার প্রধান আসামি নাসির ইউ মাহমুদ ও অমিসহ ৫ জন। তাদের গ্রেফতারের পরেই রাতে বনানীর বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন ঢাকাই ছবির নায়িকা পরীমনি। সে সময় পরীমনির সঙ্গে থাকা কস্টিউম ডিজাইনার জিমির কাছে ঘটনা জানতে চাওয়া হয়।

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে কস্টিউম ডিজাইনার বলেন, আমার নাম জিমি। আমি ফ্যাশন ডিজাইনার। সব কথা বলার মতো সাহস সবসময় থাকে না। কথাগুলো বলার সময় হইছে। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। সব কিছু বের হবে, সবার সামনে আসবে, আমি এটা বিলিভ করি।

তিনি বলেন, তারা আপিকে বাজেভাবে গালাগাল করল। আপি আমাকে আগেই বলেছিল যদি কখনো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করতে। ওরা যখন আপিকে গালাগাল করছিল তখন আমার হাত কাঁপছিল। আমি আপির মোবাইল ফোন বের করেছি, তার মোবাইলের ভেতরে ঢুকতে পারিনি। আমি আমার মোবাইল বের করে ফেলছি। বের করে ১৫ সেন্ডের একটি ভিডিও করেছি।

‘ওটা হাতে নিয়ে দেখার পরে আমাকে এসে ওনারা দুইজন অ্যাটাক করেছে। আমি আপির ফোনটা ওখানেই রেখে এসেছি। ওরা ভাবছে আপির ফোনেই ভিডিওটা করেছি। আপির ফোন উড়ায় ফেলে দিছে’।

জিমি বলেন, ওরা লাইট বন্ধ করে দিছে। এসি বন্ধ। আপির অক্সিজেন কমে আসছে। আমি ওয়েটার কে বলেছি ভাইয়া এসিটা ছাড়েন আপি শ্বাস নিতে পারছে না। ওরা আমাকে সাপোর্ট দিয়েছে। ওরা এসি ছেড়েছে। ওয়েটাররা সব পাশেই ছিল। আর এর মধ্যে ওরা চলে গেছে। ওয়েটারদের বলেছি ভাইয়া লাইটা জ্বালিয়ে দেন। তখন তো আপি নিশ্বাস নিতেই পারছিল না। হাসপাতালে নিতে হবে, অক্সিজেন দিতে হবে।

‘তখন আমি তাদের বলছি প্লিজ আপিকে ধরেন, তো আমি ধরছি আমার সঙ্গে তারাও ধরছে গাড়িতে তুলে দিছে’।

নাসিরকে মারধরের বিষয়টি জানতে চাইলে জিমি বলেন, আসলে আমি একটা গেঞ্জি আর শটর্স পরা ছিলাম। এ অবস্থায় আমাদের ঢুকতেও দিচ্ছিল না। ফোন করার পরে আমাদের ঢুকতে দেয়। আপি সেখানে উঠে বাথরুমে যায়। আমি মদপানের বিষয় বলতে, আমি তো ওনাকে চিনিও না।