শিমুলিয়াঘাটে ঘরমুখো যাত্রীর ভিড়, স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই

কঠোর লকডাউন শিথিলের প্রথম দিনে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়াঘাটে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘাটে গাদাগাদি করে ফেরিতে উঠতে দেখা গেছে যাত্রীদের।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় যানবাহনে চড়ে যাত্রীরা ঘাটে উপস্থিত হচ্ছেন। এতে বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়ায় ফেরিতে যানবাহন পারাপারে বেগ পেতে হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএর শিমুলিয়া লঞ্চঘাটের পরিদর্শক মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ ও নৌপুলিশ সীমিত সামর্থ্য নিয়ে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মানানোর জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারপরও ভয়ঙ্কর করোনা সংক্রমণ ঝুঁকিতে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না ঘাটে আসা যাত্রীরা।

নিয়ম ভঙ্গ করায় সকালে পাঁচটি লঞ্চ আটকের পর জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মানানোর জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ এবং নৌপুলিশ। এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করার জন্য বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে সকাল থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পদ্মা এখন উত্তাল। প্রচণ্ড স্রোত। এর মধ্যে কোনো ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। আমরা সতর্ক আছি। যে লঞ্চগুলো চলছে সেগুলোর সার্ভে সার্টিফিকেট দেখে আমরা চলাচলের অনুমতি দিচ্ছি।

বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির জ্যেষ্ঠ ভাইস-প্রেসিডেন্ট মো. ইকবাল হোসেন খান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ চালছে। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌপথে ৮৭টি লঞ্চ থাকলেও নয়টি বন্ধ রয়েছে। লকডাউনের কারণে অনেকে তাদের কাগজপত্র হালনাগাদ করতে পারেননি। কাগজপত্র ঠিক করে শিগগিরই বন্ধ লঞ্চগুলো চালানো হবে।