ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কিভাবে জামের বীজ ব্যবহার করবেন দেখে নিন

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জামের বীজ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। কেন জামের বীজ ডায়াবেটিসে এত উপকারী? ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জামের বীজের ব্যবহার কিভাবে করবেন? জানাচ্ছি আমরা

ম্যাক্রোবায়োটিক পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ শিল্পা অরোরা জানাচ্ছেন,”ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জামের বীজ খুবই উপকারী। ফল ও বীজ উভয়েই উপস্থিত জাম্বোলাইন ও জাম্বোসাইন নামক পদার্থ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। জামের বীজও রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। জাম খাওয়া উপকারী। বীজগুলো শুকিয়ে গুঁড়ো করে প্রত্যেকদিন খালি পেটে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।”

এশিয়া প্যাসিফিক জার্নাল অফ ট্রপিক্যাল বায়োমেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী জামের বীজ হাইপারগ্লাইসেমিক ইঁদুরের শরীরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে ও ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে খুবই উপকারী।

আরও জানা যায়, জামের বীজের উপকারী প্রোফাইল্যাকটিক ক্ষমতা হাইপারগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে। ফলে রোগীদের রোজের খাদ্যতালিকায় জামের বীজ রাখা দরকার।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কিভাবে জামের বীজ ব্যবহার করবেন দেখে নিন:জাম পরিষ্কার করে একটি পাত্রে রাখুন। আঙুল দিয়ে ফল থেকে বীজ ছাড়িয়ে নিয়ে অন্য একটি শিশিতে রেখে দিন। বীজগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন যাতে গায়ে শাঁস না লেগে থাকে।

পরিষ্কার কাপড়ে বীজগুলো ছড়িয়ে রোদ্রে ৩ থেকে ৪ দিন দিন শুকোতে দিন। শুকিয়ে গেলে বাইরের খোসা ছাড়িয়ে ভিতরের সবুজ অংশ বার করুন । সবুজ অংশটি সহজেই আঙুলের চাপে ভাঙতে পারবেন।

সবগুলি ভেঙে আরও কিছুদিন রোদ্রে শুকোতে দিন।এবার শুকনো বীজগুলো মিক্সিতে ভালো করে গুঁড়ো করে নিন । ভাল করে গুঁড়ো করার পর চালুনিতে চেলে নিন।তারপর জামের বীজের গুঁড়ো একটি বায়ু-নিরোধক শিশিতে রেখে দিন এবং প্রয়োজন মতো ব্যবহার করুন। এক গ্লাস জলে এক চা-চামচ জামের বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে রোজ সকালে খালি পেটে পান করুন।