মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য মজুত, ‘কাচ্চি ভাই’কে জরিমানা

ফ্রিজে রাখা বোরহা’নিতে নেই উৎপাদনের কোনও তারিখ। নেই খাদ্য উপাদানের নাম বা প্রস্তুত প্রণালী। ছিল না বিএসটিআই এর কোনও সনদ। নিজেরাই নিজেদের মতো করে বানিয়ে সরবরাহ করে আসছিল। একই অবস্থা সসের কয়েকটি জারের।

কোনোটিতেই নেই লেবেল, নেই উৎপাদন বা মেয়াদোত্তীর্ণের কোনও তারিখ, বিএসটিআই এর সনদও নেই। রাজধানীর মিরপুরে ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্টুরেন্টের একটি শাখায় অ'ভিযান চালিয়ে এই অবস্থা দেখেছে ভ্রাম্যমাণ আ'দালত।

শনিবার (১৭ ই মার্চ) দুপুর থেকে রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে শুরু হয় ভ্রাম্যমাণ আ'দালতের অ'ভিযান। এ সময় মিরপুরে ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্টুরেন্টের একটি শাখায় অ'ভিযান পরিচালনা করে ঢাকা জে’লা প্রশাসন। অ'ভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিষা রানী কর্মকার।

ভ্রাম্যমাণ আ'দালত ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্টেুরেন্টের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেন। আ'দালতের কাছে বেশ কিছু অ'সঙ্গতি উঠে আসে। রেস্টুরেন্টটির ওই শাখার ম্যানেজার মো. আলমাস ভ্রাম্যমাণ আ'দালতকে বলেন, খাবারগু'লো যশোর থেকে আজই আনা হয়েছে। এছাড়া আর কোনও তথ্য তিনি দিতে পারেননি।

এসব অনিয়ম ও অ'সঙ্গতির জন্য ভ্রাম্যমাণ আ'দালত ’কাচ্চি ভাইয়ের’ ওই শাখাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ভোক্তা অধিকার আইনের ৫২ ধা'রায় এ জরিমানা করা হয়। এছাড়া এসময় ভ্রাম্যমাণ আ'দালত সতর্ক করে দেন প্রতিষ্ঠানটিকে।

অ'ভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিষা রানী কর্মকার বলেন, জনগণকে স্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন করাই এসব নামিদামি রেস্টুরেন্টের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়ার কথা। কিন্তু এখানে অ'ভিযান পরিচালনা করতে এসে দেখি মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার মজুত, কোনও লেবেল স্টিকার নেই। এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ধরনের অ'ভিযান চলমান থাকবে।