অমর প্রেম, মৃ’ত্যুও তাদের আলাদা করতে পারেনি

বলা হয়ে থাকে যে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সাত জন্মের জন্য স্থায়ী একটি সম্পর্ক। স্বামী স্ত্রী তার বিবাহিত জীবনের সাতটি বচন নিয়ে এবং তা পালন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু করেন। যাইহোক প্রেম হল স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের প্রথম ধাপ। সব এবং স্ত্রী উভয়ে উভয়ের সুখ এবং দুঃখের সঙ্গী।

স্বামী এবং স্ত্রী একে অ’পরের প্রতি যত্নশীল এটাকে বলা হয় সত্য সম্পর্ক। কিন্তু বর্তমান সময়ে এরকম ঘটনা খুব কমই দেখা যায়। প্রকৃতপক্ষে একটি ঘটনা সামনে এসেছে যেখানে স্ত্রীও স্বামীর মৃ'ত্যুর কয়েক ঘন্টা পরে তার নিজের জীবন 'ত্যাগ করেন। বিবাহের সময় যেমন এই দম্পতি এক সাথে বেঁচে থাকা এবং মর'ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

তেমনই তারা একে অ’পরের শেষ কথা রেখেছেন। মধ্যপ্রদেশের নিযুত জে’লার আপনি এমন একটি দৃশ্যের দেখা পাবেন যা বাস্তবে আপনি খুব কমই দেখেন। আসলে স্বামী স্ত্রীর ভালবাসার এক জীবন্ত উদাহরণ পাওয়া গিয়েছে জাবাদ তহসিলের গোথা গ্রামে। সেখানে উপস্থিত লোকেরা এই দৃশ্যটি দেখলে তাদের চোখ থেকে জল বেরিয়ে আসে।

তথ্য অনুসারে গ্রামের 85 বছর বয়সী শংকর ধোবি তার পরিবারের সাথে থাকেন। হঠাৎ করে রবিবার রাতে শংকর হঠাৎ করে মা'রা যান। তার স্ত্রীকে তার পুত্র যখন জানালো যে তার স্বামী আর বেঁচে নেই তখন তার স্ত্রী বাসন্তী দেবী তার স্বামীর বিচ্ছেদের দুঃখ সহ্য করতে না পেরে মাত্র দুই ঘন্টা পরে তিনি আত্মহ'ত্যা করেন।

স্বামী-স্ত্রীর এরকম মৃ'ত্যুর খবর পাওয়ার সাথে সাথেই এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের ভীড় জমতে থাকে। তারা অনেক বড় শোভাযাত্রা করে স্বামী স্ত্রীকে নিয়ে যান এবং উভয়কে একই সাথে সমাধিস্থ করেন। প্রবীণ দম্পতির ছেলে বদ্রিলাল জানান বাবার মৃ'ত্যু সংবাদটি আমাকে জানালে তিনি কাঁদতে শুরু করেন।

এই সময় কিছু মহিলা তার চারপাশে বসে ছিল কিন্তু হঠাৎ এই কিছুক্ষণ পরে তিনি বললেন তার ঘু'ম পাচ্ছে তিনি ঘু'মাতে যাবেন। যার পড়ে সেয়ার দরজা খোলেন নি। আশে পাশে বসে থাকা মহিলা যখন তাকে দেখলেন ততক্ষনে তিনি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। বদ্রি জ্বা'লালো বলেছিলেন যে তারা অনেক বৃদ্ধ কিন্তু তারা সর্বদা একসাথে থাকতেন।

তাদের মৃ'ত্যু একসাথেই হলো। ছেলে জানিয়েছেন যে তার বাবা-মা সব জায়গায় একসাথে যেত। যেকোন প্রোগ্রাম বা কোথাও বাইরে গেলে তার বাবা-মা সর্বদা একসাথে যেতেন। এমন পরিস্থিতিতে তাদের শেষ যাত্রা টা ও একসাথে হলো। আসুন আমর'া আপনাকে বলি যে শংকর ও তার স্ত্রীর শেষ যাত্রায় গ্রামের সকল মানুষ উপস্থিত ছিল।স্বামী-স্ত্রী যেভাবে প্রাণ দিয়েছেন তার আলোচনা পুরো গ্রামে চলছে।