শেষ ২ ওভারে মুস্তাফিজ এবংত্যাগীর অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে ২ রানে ম্যাচ জিতল রাজস্থান রয়েলস

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচে জিতল মোস্তাফিজুর রহমানের রাজস্থান রয়েলস। শেষ দুই ওভারে নাটকীয়তা ২ রানে জয়লাভ করেছে রাজস্থান রয়েলস। ‌

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেন দুই ওপেনার ব্যাটসম্যান। এভিন লুইস ২১ বলে করেন ৩৬ রান, জস্বশী জসওয়েল মাত্র এক রানের জন্য হাফসেঞ্চুরিটা পাননি। ৩৬ বলে গড়া তার ৪৯ রানের ইনিংসে ছিল ৬ চার আর ২ ছক্কার মার।

এরপর অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন ৪ রানেই ফিরেছেন। তবে মিডল অর্ডারে ঝড় তুলেছেন লিয়াম লিভিংস্টোন আর মহিপাল লমরর।

১৭ বলে ২৫ করেন লিভিংস্টোন। লমরর তার সমান বলেই ২ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় খেলেন ৪৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস।

তবে ১৮তম ওভারের প্রথম বলে লমরর ফেরার পর প্রত্যাশিত পুঁজি পায়নি রাজস্থান। শেষ ৩ ওভারে তারা তুলতে পেরেছে মাত্র ১৬ রান, হারিয়েছে ৫ উইকেট। পাঞ্জাব বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল অর্শদীপ সিং। ৪ ওভারে ৩২ রানে একাই ৫ উইকেট শিকার করেছেন বাঁহাতি এই পেসার।

বোলিং করতে নেমে মোস্তাফিজুর রহমানকে দিয়ে শুরুটা করেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসাং। প্রথম ওভারে দেন মাত্র ৪ রান। তবে ক্যাচ মিসের মহড়ায় ৬ ওভারের মধ্যে তিনটি কাজ ছাড়ে রাজস্থানের ফিল্ডাররা।

এরমধ্যে ইনিংসে ষষ্ঠ ওভারের মোস্তাফিজুর রহমানের একটি বলে সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন চেতন শাখারিয়া।

একাধিকবার জীবন পেয়ে দুর্দান্ত খেলতে থাকেন দুই ওপেনার ব্যাটসম্যান কেএল রাহুল এবং মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে এই দুইজন ১১.৫ ওভারে যোগ করেন ১২০ রান। চেতন শাখারিয়া বলে ৪৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন অধিনায়ক কে এল রাহুল। তবে এর ঠিক পরের ওভারেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান আগারওয়াল।

৪৩ বলে ৬৭ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। তবে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন নিকোলাস পুরান এবং এইডেন মার্করাম। কিন্তু শেষ ২ ওভারের খেলা জমিয়ে দেন মুস্তাফিজুর রহমান এবং কার্তিক ত্যাগী। শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য পাঞ্জাব কিংস-এর প্রয়োজন ছিল ৮ রান।

ইনিংসের ১৯ তম ওভারে বোলিংয়ে এসে মাত্র ৪ রান দেন মোস্তাফিজুর রহমান। একটি উইকেটের সুযোগ তৈরি করেছিলেন তিনি। উইকেটে না পেলেও শেষ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করেন মুস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু কে জানত এই ম্যাচ জিতে যাবে রাজস্থান রয়েলস। শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাঞ্জাবের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৪ রান।

বোলিংয়ে এসে প্রথম দুই বলে এক রান দেন কার্তিক ত্যাগী। এর পরের তিন বলে তুলে নেন ২ উইকেট। শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল তিন রানের। শেষ গোলটি ডট দিলে দুই রানে জয়লাভ করে রাজস্থান রয়েলস

চার ওভার বোলিং করে ৩০ রান দিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। ‌উইকেটে দেখা না পেলেও দুটি সুযোগ তৈরি করেছিলেন তিনি।