মেস ভাড়া মওকুফ না করায় মালিকের মেয়েকে পালিয়ে বিয়ে করলো নোয়াখালীর পলাশ

করোনা ইস্যুতে দেশজুড়ে বন্ধ রয়েছে সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দেশে চলমান করোনা সংকটে অনেকের আর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে বেশ কিছুদিন যাব'ত মেসে ভাড়া থাকা শিক্ষার্থীরা ভাড়া মওকুফের দাবী জানিয়ে আসছে।

এ নিয়ে গত ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের মেসভাড়ার বি'ষয়টির সুরাহাকল্পে ১০ সদস্যবিশি'ষ্ট একটি কমিটি গঠন করে। তবে কমিটি গঠনের ৭ দিন অতিবাহিত হলেও কমিটির পক্ষ 'হতে এখনো কোন সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

পড়াশোনার জন্য দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে বসবাস করতে ভাড়া বাসা বাড়ি এবং মেসে। আবাসন সংকট থাকায় অনেকের জায়গা হয় না হলগু'লোতে ফলে বাধ্য হয়ে বসবাস করতে হয় এসব স্থানে।

এদিকে করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগু'লো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী মেস বা ভাড়া বাসা ছেড়ে চলে এসেছে নিজের বাড়িতে। না থেকেও মাসে মাসে ভাড়া দিতে হচ্ছে। এ যেন মর'ার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব শিক্ষার্থীর ওপর।

এমনই এক শিক্ষার্থী নোয়াখালীর পলা'শ। রাজধানীর বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ অধ্যয়নরত এই শিক্ষার্থী ১৯ মার্চ ঢাকা ছেড়ে নিজের এলাকায় চলে আসে। কিন্তু চলে আসলে প্রতি মাসে মেসের সিট ভাড়া দিতে হয় তাকে। মেসের মালিক জয়নাল তাকে ভাড়ার জন্যে চাপ দিতে থাকে।

গত দুই মাসের সিট ভাড়া দিতে পারলেও এই মাসে পলা'শ সাফ জানিয়ে দেয় তার হাতে আর টাকা নেই। পলা'শ আকুতি মিনতি করে জয়নাল যেন তাদের সিট-ভাড়া মাফ করে দেয়। সে আর মেসের সিট ভাড়া দিতে পারবে না।

কিন্তু মেসের মালিক জয়নাল কোনভাবেই সিট ভাড়া মাফ করবে না। যদি সিট ভাড়া না দেয় তবে তাদের সব মালপত্র 'বিক্রি করে টাকা পয়সা আ'দায় করে নিবে বলে হু’মকি দেয় মেস মালিক জয়নাল। পলা'শ এতেই যেন ক্ষি'প্ত হয়ে যায়। সে ফুসলিয়ে ফাঁ'সলিয়ে প্রেমের অ'ভিনয় করে জয়নালের ছোট মেয়েকে সুমাইয়াকে নিয়ে পালিয়ে যায়। পালিয়ে গিয়ে দুজন বিয়ে করে ফেলে।

জয়নাল এই ঘটনায় এই মেয়ে ও মেয়ের জামাইকে মেনে নেয়নি। উল্টো মেস মালিক জয়নাল মেয়ের জামাই পলা'শের বিরুদ্ধে থা'নায় প্রতারণার মাম'লা দায়ের করেছেন। এদিকে ঘটনার পর পলা'শ ও মেসের মালিকের মেয়ে সুমাইয়া পলাতক রয়েছে।