অপরাধ না করেই ৩ বছর সাজা খাটছেন পাগলী মিনু

অ’পরা’ধ না করেই বিনা অ’পরা’ধে অন্যের হয়ে কা’রাগা’রে তিন বছর ধরে খা’ট’ছেন মিনু বেগম ওরফে মিনু পাগলী। ‘হ”'ত্যা’ মা’ম’লায় যা’বজ্জী’বন দ’ণ্ড’প্রা’'প্ত কুলসুম আক্তার ওরফে কুলসুমীর পরিবর্তে প্রায় তিন বছর ধরে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কা”রাগারে ব’ন্দি আছেন তিনি।

বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আ’দাল’তের নজরে আসলে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য নথি দ্রু’ত হাইকো’র্টে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) 'বিকেলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভুঁইয়া এই আদেশ দেন।

আদেশ দেওয়ার আগে আ’দালত দ’ণ্ডি’ত আ’সা’মির ছবির সঙ্গে কা’রাব’ন্দি মিনু পাগলীর ছ’বির গ’ড়মিল দেখতে পান।

এ সময় আ'দালত মিনু পা’গলীর বক্তব্য শোনেন এবং দ’ণ্ডপ্রা’'প্ত কুলসুমী ও তার স্বজনরা কীভাবে প্র’তার’ণা করে তাকে কা’রাগা’রে পাঠিয়েছেন তা অবহি’ত হন। মা’ম’লার নথি হাইকোর্টে পাঠানোর আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আ’দাল’তের পাবলিক প্রসিকিউটর নোমান চৌধুরী।

তিনি জানান, মাম’লাটি এখন হাইকোর্টের আপিল শুনানিতে থাকায় উপ-নথি পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আ’দা’লত।

বিনা অ’প’রা’ধে অন্যের হয়ে কা’রাগা’রে ব’ন্দি থাকা মিনু পাগ’লীকে আই’নি সহায়তা দেওয়া আইনজীবী গো'লাম মাওলা মুরাদ জানান, চট্টগ্রাম নগরীর একটি হ”’'ত্যা’ মাম”লার মূল আ’সামি কুলসুম আক্তার ওরফে কুলসুমীর যাব’জ্জী’বন হয়। তার পরিবর্তে কা’রাভো’গ করছেন মিনু পাগ’লী।

গো'লাম মাওলা মুরাদ জানান, ২০০৬ সালের ২৯ এপ্রিল নগরীর কোতয়ালি থা'নার রহমতগঞ্জ বাংলা কলেজ এলাকায় ‘খু”ন হন পোশাকশ্রমিক কোহিনুর। কোহিনুরের বাবা নুরুল ইসলাম মা’ম’লা করলে ২০০৭ সালের ২৬ অক্টোবর একমাত্র আসা’মি কুলসু’মীকে আ’ট’ক করে কোতয়ালি থা'না পুলিশ। এর এক বছর পর ২০০৯ সালের ১৮ জুন জা’মিনে মু’ক্ত হয়ে পা’লি’য়ে যান তিনি।

গো'লাম মাওলা মুরাদ জানান, মূল আ’সা’মি প’লাত’ক থাকা অবস্থায় মা’ম’লার দীর্ঘ বি’চার প্রক্রিয়া শেষে ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর কুলসুমীর যা’ব’জ্জীব’ন সা’জা এবং ৫০ হাজার টাকা জ’রিমা’না, অ’নাদা’য়ে আরও এক বছরের কা’রা’দ’ণ্ড দেন অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলাম।

রায় ঘোষণার প্রায় এক বছর পর ২০১৮ সালের ১২ জুন কিছুটা মানসিক ভা’রসা’ম্যহী’ন মিনু পাগলীকে কুলসুমী সা’জিয়ে আ’দা’লতে আ’ত্মস’মর'্প’ণ করান কুলসুমীর আইনজীবী। সেদিন থেকে কা’রাব’ন্দি রয়েছেন মিনু পাগলী।

আইনজীবী গো'লাম মাওলা মুরাদ জানান, কা’রাগা’রের না’রী ওয়ার্ড নিয়মিত পরিদর্শনের সময় অন্যের হয়ে মিনু পাগলীর জে’ল খা’টার বিষয়টি নজরে আসে সিনিয়র জে’ল সুপার শফিকুল ইসলাম খানের। তিনি বিষয়টি লিখিতভাবে আ’দাল’তকে জানান। মিনু পাগলীকে সোমবার (২২ মার্চ) আ'দালতে উপস্থাপন করা হয়। এরপর আ'দালত নিশ্চিত হন সা’জা খা’টতে থাকা মিনু পাগলী দ’ণ্ডপ্রা’'প্ত আসা’মি নন।