বিদায়বেলায় ছোট মেয়েকে দেখতে পারবেন না কেউ, বড় মেয়ে-জামাই আইসিইউতে

রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার হাজী মুসা ম্যানশনের ছয়তলা ভবনের চারতলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন ইব্রাহিম-সুফিয়া দম্পতি। অ'গ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাদের পরিবারের পাঁচ সদস্য দ’গ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও মা'রা গেছেন ছোট মেয়ে সুমাইয়া সরকার (২০)। সুমাইয়া ইডেন মহিলা কলেজে ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সেহরি খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মো. ইব্রাহিম সরকারের পরিবার। তার স্ত্রী সুফিয়া সরকার বাসার সবাইকে সেহরির জন্য ঘু'ম থেকে ডেকে তুলছিলেন। ঠিক সেহরি খাওয়ার সময় হঠাৎ চারদিকে দাউদাউ করে জ্ব'লে ওঠে আগু'ন।

ইব্রাহিম তার স্ত্রী সুফিয়া, তাদের ছেলে জুনায়েদ সরকার, বড় মেয়ে ইসরাত জাহান মুনা ও মুনার স্বামী আশিকুর রহমান আ’গু'’ন লাগার খবর শুনে সবাই বারান্দা’য় চলে আসেন। ইব্রাহিম-সুফিয়া দম্পতির ছোট মেয়ে সুমাইয়া সরকার (২০) সেসময় বাথরুমে ছিলেন।

এরপর সবার ডা’কাডা’কির পরে সুমাইয়া বাথরুম থেকে বের হয়েই ফ্লোরে অ’জ্ঞা’ন হয়ে পড়ে যান। সুমাইয়া-মুনাদের মামাতো ভাই ফারুক জাগো নিউজকে জানান, মুনা ও তার স্বামীর অব’স্থা আ’শ’ঙ্কা’জন’ক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। বাকিরা দ’গ্ধ হননি। ধোঁ’য়ায় অ’সুস্থ হয়ে পড়েছেন।

নি’হ’ত সুমাইয়ার ম’রদে’হ মিটফোর্ড হাসপাতালে আছে। সেখান থেকে সোনারগাঁওয়ে গ্রামের বাড়িতে দা’ফন করা হবে। তবে বিদায়বেলায় মেয়েকে দেখতে পারবেন না ইব্রাহিম সরকারের পরিবারের কেউ।

ফারুক জানান, ইব্রাহিমের বড় মেয়ে ইসরাত জাহান মুনা ও তার স্বামী আশিকুর রহমানের বিয়ে হয়েছে মাত্র দেড় মাস আগে। এই নবদম্পতি এখন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। মুনা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আর আশিকুর বুয়েটে পড়াশোনা করছেন।